বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা গ্রামের করমজাভিটা এলাকায় রাস্তার পাশে সরকারি উদ্যোগে রোপণ করা আকাশমনি গাছ অনুমতি ছাড়া বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগে রাস্তার পাশে থাকা সরকারি গাছের কয়েকটি গাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের দাবি, তৎকালীন রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে ওই গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত এসব গাছ কাটার বা বিক্রির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে গাছ বিক্রি হয়ে থাকলে এর অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—রাস্তার পাশে সরকারি উদ্যোগে লাগানো গাছ কাটার বা বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল কি না? যদি অনুমতি না দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে কার নির্দেশে গাছগুলো কাটা ও বিক্রি করা হলো এবং বিক্রির অর্থ কোথায় গেল—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা থাকলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো তদন্ত বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা দেখা যায়নি। তারা সরকারি সম্পদ রক্ষায় বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য মন্টু মিয়ার বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি সম্পদ বিক্রির অভিযোগটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সরকারি সম্পদের যথাযথ হিসাব নিশ্চিত করা হোক।
সরকারি সম্পদ জনগণের সম্পদ—তাই সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন
Bangabani24